রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রয়ে ডিলার জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে করা অনিয়ম-দুর্নীতি, ওজনে কম ও কালোবাজারে চাউল বিক্রির অভিযোগের প্রমাণ মিলেনি। গত ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) সোহেল রানা বাদি হয়ে চাল ডিলার জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এনিয়ে একাধিক খবর প্রকাশ হয়। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এদিকে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) এহসানুল হকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্ত করেন। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মোছাঃ পারভীন ও তানোর সদর (এলএসডি) আফরোজা খাতুন।
এদিন তদন্ত কমিটির সামনে অভিযোগকারি সোহেল রানা উপস্থিত হয়নি তার নামে কোনো কার্ড নাই। এমনকি অভিযোগে যেসব উপকারভোগীর নাম ও কার্ড নম্বর দেয়া হয়েছে তারা কেউ ওই ডিলারের আওতাধীন নয়। এসময় ডিলারের মাস্টার রোল নিয়ে উপকারভোগীদের কাছে ফোন করা হলে তারা সবাই চাল পাওয়ার কথা শিকার করেছেন।
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) এহসানুল হক বলেন, একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হয়নি সোহেল রানা, এছাড়াও যেসব উপকারভোগীর নাম কার্ড নম্বর দেয়া হয়েছে, সেই উপকারভোগীরা এই ডিলারের আওতাধীন নয়। তিনি বলেন, সব কিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার জামাল উদ্দিন বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে একটি গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন।
এদিকে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) এহসানুল হকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্ত করেন। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মোছাঃ পারভীন ও তানোর সদর (এলএসডি) আফরোজা খাতুন।
এদিন তদন্ত কমিটির সামনে অভিযোগকারি সোহেল রানা উপস্থিত হয়নি তার নামে কোনো কার্ড নাই। এমনকি অভিযোগে যেসব উপকারভোগীর নাম ও কার্ড নম্বর দেয়া হয়েছে তারা কেউ ওই ডিলারের আওতাধীন নয়। এসময় ডিলারের মাস্টার রোল নিয়ে উপকারভোগীদের কাছে ফোন করা হলে তারা সবাই চাল পাওয়ার কথা শিকার করেছেন।
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) এহসানুল হক বলেন, একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হয়নি সোহেল রানা, এছাড়াও যেসব উপকারভোগীর নাম কার্ড নম্বর দেয়া হয়েছে, সেই উপকারভোগীরা এই ডিলারের আওতাধীন নয়। তিনি বলেন, সব কিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার জামাল উদ্দিন বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে একটি গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন।
আলিফ হোসেন